
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন।

পথ-ভোলা কোন্ রাখাল ছেলে। সে এক্লা বাটে শূন্য মাঠে খেলে বেড়ায় বাঁশি ফেলে’।। কভু সাঁঝ-গগনে উদাস মনে চাহিয়া হেরে গো কারে, হেরে তারার উদয়, কভু চেয়ে রয়, সুদূর বন-কিনারে। হেরে সাঁঝের পাখি ফিরে গো যখন নীড়ের পানে পাখা মেলে’।। তা’র ধেনু ফিরে যায় গ্রামের পানে, আনমনে সে বসিয়া থাকে, ঐ সন্ধ্যাতারার দীপ যে জ্বালায় সে যেন কোথায় দেখেছে তাকে। তার নূপুর লুটায় পথের ধূলায় সে ফিরে নাহি চায়, কাহারে খোঁজে, দূর চাঁদের ভেলায় মেঘ-পরী যায় সে যেন তার ইশারা বোঝে। সে চির-উদাসী পথে ফেরে হায় সকল সুখে আগুন জ্বেলে।।
রাগঃ
তালঃ লোফা/কাহার্বা

যেদিন রোজ হাশরে করতে বিচার তুমি হবে কাজী সেদিন তোমার দিদার আমি পাব কি আল্লাজী।। সেদিন নাকি তোমার ভীষণ কাহ্হার রূপ দেখে পীর পয়গম্বর কাঁদবে ভয়ে ‘ইয়া নফসী’ ডেকে; সেই সুদিনের আশায় আমি নাচি এখন থেকে। আমি তোমায় দেখে হাজারো বার দোজখ যেতে রাজী। আল্লাহ তোমায় দেখে হাজারো বার দোজখ যেতে রাজি।। যেরূপে হোক বারেক যদি দেখে তোমায় কেহ দোজখ্ কি আর ছুঁতে পারে পবিত্র তাঁর দেহ। সে হোক না কেন হাজার পাপী হোক না বে-নামাজী।। ইয়া আল্লাহ, তোমার দয়া কত তাই দেখাবে ব’লে রোজ-হাশরে দেখা দেবে বিচার করার ছলে, — প্রেমিক বিনে কে বুঝিবে তোমার এ কারসাজি।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা

পুরুষ : আমি আল্লার ডাকে ছুটে যাই যবে তুমি মোনাজাত কর গো নীরবে, স্ত্রী : তুমি যে খোদার দেওয়া সওগাত মম বেহেশ্তের সাথি।। পুরুষ : তুমি হেরেমের বন্দিনী নহ তুমি যে ঘরের বাতি। স্ত্রী : তুমি যে ঈদের চাঁদ! তব তরে জাগিয়া কাটাই রাতি।। পুরুষ : তুমি নারী আগে আনিলে ঈমান দ্বীন ইসলাম ‘পরে, স্ত্রী : তুমি যে বিজয়ী খোদার রহম আনিয়াছ জয় ক’রে! পুরুস : আজি দুর্বল মোরা তোমারে ত্যজিয়া স্ত্রী : দাঁড়াইব পাশে উঠহ জাগিয়া, উভয়ে : হাতে হাত ধরি’ চলি যদি মোরা জাগিবে নূতন জাতি — দুনিয়া আবার উঠিবে মাতি’।।
রাগঃ
তালঃ ফের্তা
অনাদি কাল হতে অনন্তলোক গাহে তোমারি জয়। আকাশ–বাতাস রবি–গ্রহ তারা চাঁদ, হে প্রেমময়।। সমুদ্র–কল্লোল নির্ঝর–কলতান – হে বিরাট, তোমার উদার জয়গান; ধ্যান গম্ভীর কত শত হিমালয় গাহে তোমারি জয়।। তব নামের বাজায় বীণা বনের পল্লব জনহীন প্রান্তর স্তব করে, নীরব। সকল জাতির কোটি উপাসনালয় গাহে তোমারি জয়।। আলোকের উল্লাসে, আঁধারের তন্দ্রায় তব জয়গান বাজে অপরুপ মহিমায়, কোটি যুগ–যুগান্ত সৃষ্টি প্রলয় গাহে তোমারি জয়।।
রাগঃ ধানি
তালঃ ত্রিতাল

কলহংসিকা বাহনা পদ্মিনী-পাণি মণি মঞ্জীরা শোভনা, ছন্দিতা বাণী। বন্দে দামিনী-বর্ণা রাধা বৃন্দা-বন-চন্দে মত্ত-ময়ূর-ছন্দে নাচে কৃষ্ণ প্রেমানন্দে।। পল্লব-ঘন চক্ষে ঝরে অশ্রু-রস-ধারা পূব হাওয়াতে বংশী ডাকে আয় রে পথ-হারা, রুমঝুম ঝুম্ মঞ্জীর বাজে কঙ্কণ মণি বন্ধে।। রিম্ ঝিম্ রিম্ ঝিম্ ঝিম্ কেকা-বন ঘন বর্ষে তৃষ্ণ-তৃপ্ত আত্মা নাচে নন্দালোক হর্ষে, ঝঞ্ঝার ঝাঁঝর তাল বাজে শূন্যে মেঘ মন্দ্রে।।
রাগঃ
তালঃ
জাগো জাগো, রে মুসাফির হ’য়ে আসে নিশিভোর। ডাকে সুদূর পথের বাঁশি ছাড় মুসাফির-খানা তোর।। অস্ত-আকাশ-অলিন্দে ঐ পান্ডুর কপোল রাখি’ কাঁদে মলিন ভোরের শশী, বিদায় দাও বন্ধু চকোর।। মরুচারী খুঁজিস সলিল অগ্নিগিরির কাছে, হায়! খুঁজিস অমর ভালোবাসা এই ধরণীর এই ধূলায়। দারুণ রোদের দাহে খুঁজিস কুঞ্জ-ছায়া স্বপ্ন-ঘোর।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা
১.

২.

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan