
বর্ণানুক্রমে
নোটিশ বোর্ড
জনপ্রিয়
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও মোবারক-বাদ। ঈদ মোবারক।
নজরুলগীতির সকল অতিথি ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাচ্ছি পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও মোবারক-বাদ। ঈদ মোবারক।

গভীর রাতে জাগি’ খুঁজি তোমারে। দূর গগনে প্রিয় তিমির–‘পারে।। জেগে যবে দেখি বঁধু তুমি নাই কাছে আঙিনায় ফুটে’ ফুল ঝ’রে পড়ে আছে, বাণ–বেঁধা পাখি সম আহত এ প্রাণ মম — লুটায়ে লুটায়ে কাঁদে অন্ধকারে।। মৌনা নিঝুম ধরা, ঘুমায়েছে সবে, এসো প্রিয়, এই বেলা বক্ষে নীরবে। কত কথা কাঁটা হ’য়ে বুকে আছে বিঁধে কত আভিমান কত জ্বালা এই হৃদে, দেখে যাও এসো প্রিয়১ কত সাধ ঝ’রে গেল — কত আশা ম’রে গেল হাহাকারে।।
১. দেখিবে এসো প্রিয়
রাগঃ রবিকোষ
তালঃ ত্রিতাল
শিল্পীঃ নাহিদ সুলতানা সুমি

স্ত্রী : তোমায় দেখি নিতুই চেয়ে চেয়ে ওগো অচেনা বিদেশি নেয়ে॥ পুরুষ : যেতে এই পথে তরী বেয়ে দেখি নদীর ধারে তোমায় বারে বারে সজল কাজল বরণী মেয়ে॥ স্ত্রী : তোমার তরণীর আসার আশায় বসে থাকি কূলে কলস ভেসে যায়। পুরুষ : তুমি পরো যে শাড়ি ভিন গাঁয়ের নারী আমি নাও বেয়ে যাই তারি সারি গান গেয়ে। স্ত্রী : গাগরির গলায় মালা জড়ায়ে দিই তোমার তরে বঁধু স্রোতে ভাসায়ে॥ পুরুষ : সেই মালা চাহি’, নিতি এই পথে গো আমি তরী বাহি। উভয়ে : মোরা এক তরীতে একই নদীর স্রোতে যাব অকূলে ধেয়ে॥
রাগঃ
তালঃ ফের্তা

আঁখি তোল আঁখি তোল না, দানো করুণা, ওগো অরুণা, মেলি’ নয়ন জীর্ণ কানন কর তরুণা।। আঁখি যে তোমার বনের পাখি — ঘুম যে ভাঙায় আঁধারে ডাকি’, আলোর-সাগর জাগাও বরুণা।। তব আনত আঁখির পাতার কোলে তরুণ আলোর মুকুল দোলে। রঙের কুমার দুয়ারে জাগে, তোমার আঁখির প্রসাদ মাগে, পাণ্ডুর ভোর হোক তরুণারুণা।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ দাদ্রা

ডেকে ডেকে কেন তারে ভাঙালি ঘুমের ঘোর কেন ভাঙালি স্বপনে মোর এসেছিল, সখি, স্বপন কুমার মনচোর কেন ভাঙালি ঘুমের ঘোর।। সে যেন লো পাশে ব'সে কহিল হেসে হেসে ‘যাব না আর পরদেশে’, সখি, মোছ মোছ আঁখিলোর’।। দেখালো তার হৃদয় খুলি’, কহিল : ‘হের প্রিয়ে তোমার অধিক ব্যথা হেথায় তোমারে ব্যথা দিয়ে।’ জানি না মোর হিয়ার চেয়েও অধিক ক্ষত তার হৃদয় সে হৃদয়ে আমার ছবি, সকল হিয়া আমি-ময়। তাহার জীবন-মালারি মাঝে, সখি, আমি যেন সোনার ডোর।। আমি কহিনু, বুঝেছি সখা তোমার এ দুখ দেওয়ার ছল, ভালোবাসার ফুল না শুকায় তুমি তাই চাহ মোর চোখেরই জল’। জেগে দেখি কেঁদে কেঁদে, সখি, ভিজেছে বুকের আঁচল।।
রাগঃ ভৈরবী
তালঃ কাহার্বা

আনন্দ-দুলালী ব্রজ-বালার সনে নন্দ-দুলাল খেলে হোলি! রঙের মাতন লেগে যেন শ্যামল মেঘে খেলেছে রাঙা বিজলি।। রাঙা মুঠি-ভরা রাঙা আবির-রেণু রাঙিল পীত-ধড়া শিখি-পাখা বেণু রাঙিল শাড়ি কাঁচলি।। লচকিয়া আসে মুচকিয়া হাসে মারে আবির পিচকারি, চাঁদের হাট তোরা দেখে যা রে দেখে যা রঙে মাতোয়ালা নর-নারী! শিরায় শিরায় সুরার শিহরণ রঙ্গে অঙ্গে পড়ে ঢলি।।
রাগঃ
তালঃ কাহার্বা
দক্ষিণ সমীরণ সাথে বাজো বেণুকা। মধু-মাধবী সুরে চৈত্র-পূর্ণিমা রাতে, বাজো বেণুকা।। বাজো শীর্ণা-স্রোত নদী-তীরে ঘুম যবে নামে বন ঘিরে’ যবে ঝরে এলোমেলো বায়ে ধীরে ফুল-রেণুকা।। মধু মালতী-বেলা-বনে ঘনাও নেশা স্বপন আনো জাগরণে মদিরা মেশা। মন যবে রহে না ঘরে বিরহ-লোকে সে বিহরে যবে নিরাশার বালুচরে ওড়ে বালুকা।।
রাগঃ মধুমাধবী সারং
তালঃ ত্রিতাল
শিল্পীঃ আমিয়া মতিন

Nazrulgeeti.org is the largest portal in the world about Nazrulgeeti. Anything and everything about Nazrulgeeti will be found in this portal. All lyrics, used raag and taal, audio/video, swaralipi and unknown stories behind the song, everything will be available here. The collection is growing every day. Be with us and help spread Nazrulgeeti worldwide.
Developed, Owned and Maintained by Mamunur Rahman Khan